মহাগুরু তুলসী হল কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুস মন্ত্রালয় দ্বারা স্বীকৃত বা অনুমোদন প্রাপ্ত ও সাত রকম তুলসী পাতা থেকে নিঃসৃত বিশুদ্ধ তেল যা মাইক্রোনাইজড পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়েছে। যা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, এন্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিভাইরাল, এন্টি টিউবারকুলার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও একাধিক ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস দ্বারা সমৃদ্ধ । ইহা যে কোনো শারীরিক সমস্যায় ভীষণ উপকারী যথা পুরানো সর্দি-কাশি, হাঁপানি, এলার্জি, টনসিলের সমস্যা, ল্যারিনজাইটিস, ফ্যারিনজাইটিস ইত্যাদি সমস্যাতেও ভিশন কার্যকরী একটি প্রোডাক্ট। প্রত্যহ সকালে খালি পেটে ঈষৎ উষ্ণ গরম জলের সাথে চার-পাঁচ ফোঁটা মহাগুরু তুলসী পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করার সাথে সাথে পিত্ত, গ্যাস, এসিডিটি, হজমে গোলমাল, গলা বুক জ্বালা করা, মুখের মধ্যে টকজল উঠে আসা প্রভূত সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম উপলব্ধি করা যায়।
মহাগুরু তুলসী শিশুদের জন্য ভীষণ উপকারী। তিন বছর থেকে পাঁচ বছর বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে প্রত্যহ স্নানের পর এক চামচ মধুর সাথে একফোঁটা মহাগুরু তুলসী পান করালে ঋতু পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে ঘনঘন অসুস্থ হয়ে পড়া, ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বা পেটের মধ্যে কৃমি হওয়ার প্রবণতা প্রভূত সমস্যা থেকে উপকার পাওয়া যায়।
ব্যবহার প্রণালী - প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রত্যহ চার থেকে পাঁচ ফোঁটা ঈষৎ উষ্ণ গরম জলের সাথে বা দুধ চিনি ছাড়া লিকার চা বা গরম দুধের সাথে দিনে দুবার খাবার অন্তত 30 মিনিট আগে ব্যবহার করুন।
উচ্চ রক্তচাপ থাকলে উষ্ণ গরম জলের পরিবর্তে সাধারণ জলে থেকে তিন ফোঁটা মহাগুরু তুলসী ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন।
সতর্কীকরণ - মহিলাদের পিরিয়ড চলাকালীন, গর্ভাবস্থা কালীন সময় ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী চার থেকে পাঁচ মাস পর অবধি মহাগুরু তুলসী পান থেকে বিরত থাকুন।
মহাগুরু তুলসী শরীরে খাবারের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে ও ইহা কোন ঔষধ নয়। নিয়মিত ব্যবহারে একাধিক শারীরিক সমস্যার সমাধান লাভ করা যায়, তাই সুস্থ থাকা কালীন ব্যবহার শুরু করলে অসুস্থ হবার সম্ভবনা কমিয়ে আনা যায়।